“ডায়াবেডেক্স” হলো বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ইন্ডেক্স কোম্পানির বহুল প্রচলিত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রক আয়ুর্বেদিক ওষুধ। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। তাই এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটা সেবনের নিয়ম হলোঃ-
| সুগারের মাত্রা | সকাল + দুপুর + রাত |
|---|---|
| ২০ + থাকলে | ২ + ২ + ২ |
| ১৫–২০ থাকলে | ২ + ১ + ২ |
| ১০–১৫ থাকলে | ১ + ১ + ২ |
| ৮–১০ থাকলে | ১ + ১ + ১ |
| ৮ এর নিচে থাকলে | ১ + ০ + ১ |

DIBEDEX এর প্রধান কাজ শরীরের ইনসুলিন তৈরিতে ভূমিকা পালনকারী অঙ্গগুলোকে সক্রিয় করে। শরীরের ইনসুলিন তৈরি করে এবং শরীরের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। নিয়ম অনুযায়ী DIBEDEX সেবনের ফলে এক সময় ডায়াবেটিসের জন্য আপনার কোন ঔষধ অথবা ইনসুলিন গ্রহনের প্রয়োজন হবে না।
মূলত ডায়াবেটিস কোনো রোগই না। কোষে যখন অতিরিক্ত চর্বি জমে যায়, তখন কোষে জায়গা থাকে না। ফলে রক্তের চিনি কোষে ঢুকতে পারে না। এর কারণে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং সেই চিনি আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধীরে ধীরে নষ্ট করতে শুরু করে।
যেমন—কিডনি ড্যামেজ, লিভার ড্যামেজ, হার্ট ফেইল, চোখ অন্ধ হয়ে যাওয়া, স্ট্রোক এবং ফুসফুস ড্যামেজ হওয়ার মতো মারাত্মক ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও শরীরে কোনো রোগ হলে তা সহজে সারে না, অনেক সময় ওষুধেও কাজ করে না। উল্টো রোগ আরও বাড়তে থাকে।
১. খালি পেটে (Fasting Sugar)
ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ৮ ঘণ্টা কিছু না খেয়ে পরীক্ষা করলে:
1️⃣ স্বাভাবিক (Normal): ৫.৬ পয়েন্টের নিচে।
2️⃣ প্রি-ডায়াবেটিস: ৫.৬ থেকে ৬.৯ পয়েন্ট।
3️⃣ ডায়াবেটিস: ৭.০ পয়েন্ট বা তার বেশি।
২. ভরা পেটে (Postprandial – ২ ঘণ্টা পর)
ভারী খাবার খাওয়ার ঠিক ২ ঘণ্টা পর পরীক্ষা করলে:
1️⃣ স্বাভাবিক (Normal): ৭.৮ পয়েন্টের নিচে।
2️⃣ প্রি-ডায়াবেটিস: ৭.৮ থেকে ১১.০ পয়েন্ট।
3️⃣ ডায়াবেটিস: ১১.১ পয়েন্ট বা তার বেশি।
1️⃣ করলা – রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
2️⃣ লাল শাক – ফাইবার বেশি, সুগার বাড়ায় না
3️⃣ দেশি মাছ – ভালো প্রোটিন, ইনসুলিন কাজে সাহায্য করে
4️⃣ ডাল – ধীরে হজম হয়, সুগার স্থির রাখে
5️⃣ পেয়ারা – কম সুগার, ফাইবার বেশি
👉ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া: বিশেষ করে রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া।
👉অতিরিক্ত তৃষ্ণা: মুখ ও গলা শুকিয়ে আসা এবং বারবার পানি খাওয়ার ইচ্ছা।
👉হৃৎপিণ্ড (Heart): হার্ট অ্যাটাক, ব্লক এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া।
👉কিডনি (Kidney): কিডনি ড্যামেজ হওয়া বা অকেজো হয়ে পড়া (ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি)।
👉চোখ (Eyes): রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, ছানি পড়া এবং চিরতরে অন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি।
👉মস্তিষ্ক (Brain): মস্তিষ্কের রক্তনালীতে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়ে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা।
👉স্নায়ু (Nerves): হাত-পা ঝিনঝিন করা, জ্বালাপোড়া করা বা অবশ হয়ে যাওয়া (ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি)।
👉পায়ের সমস্যা (Foot): পায়ে ঘা হওয়া এবং অনুভূতি কমে যাওয়া, যা থেকে গ্যাংগ্রিন হতে পারে।
👉দাঁত ও মাড়ি: মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্ত পড়া এবং অকালে দাঁত নড়ে যাওয়া।
👉ত্বক (Skin): বারবার চর্মরোগ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণ (Fungal Infection) হওয়া।
👉যৌন সমস্যা: পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রজনন ক্ষমতা বা যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া।